পৃথিবী সেজেছে এই রূদ্রময়ী বৈশাখে সোনালু স্বর্ণালী সাজে
প্রখর উত্তপ্ত তাপে কৃষ্ণচূড়ার ঠোঁটে রক্তাক্ত হাসি
সমস্ত গাছের পাতারা স্তব্ধতায় নির্বাক হয়ে
শুধু দাঁড়িয়ে দেখছে বৈশাখের এই তান্ডব কীর্তি!
পথিক দাঁড়িয়ে থাকে কংক্রিটের রাস্তায় অস্থিরতায় চক্ষু চতুর্দিক
হয়তোবা কোন গাছের ছায়া পাওয়া যায় কিনা?
তৃষ্ণার্ত পাখি নামে জলাশয়ে
ফিরে আসে আবার তারা!
মেটানো হলো না তৃষ্ণা তাদের
জলাশয়ে নেমেছে উত্তপ্ত বৈশাখ
তীব্র তাপদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ ,উঠিছে নাভিশ্বাস,
বাতাসে বইছে আগুনের হল্কা চারিদিকে তপ্তশ্বাস।
পশু পাখির ক্রন্দনে মর্মান্তিক সুর
তীব্র তাপদাহে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন বাতাসে বইছে আগুনের হ্লকা আর
চারিদিকে তপ্তশ্বাস।
কত রকম বরণে বরণ করেছি তোমারে
বৈশাখ! মোরা তোমার এই অগ্নি
রূপ কি দেখতে?
মেঘের ভেলায় চলে এসো তুমি দেখাও তোমার স্বীয় মূর্তি।
নিবারণ করো পৃথিবীর এই সব অগ্নি
নিমিষে শীতল কর অজস্র ধারায়
ঝরে পড়ুক তোমার পূর্ণ শান্তির বারিধারা!