• বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
জগন্নাথপুরের রানীগঞ্জ-বাগময়না-হলিকোনা সড়কের বেহাল অবস্থা, যাতায়াতে চরম ভোগান্তি গোয়াইনঘাটে ডেটা শেয়ারিং বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত কবিতাঃ বসে নির্বিকার নতুনতারা আয়োজিত ১৬৫তম রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী  উৎসব বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত সি ইউ সি পরিবারের সাথে আনসার ও ভিডিপি, খুলনা রেঞ্জের রেঞ্জ কমান্ডার এর সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত আমাদের প্রধানমন্ত্রী পরিবেশের বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন- হুমায়ুন কবির কবিতাঃ  উত্তপ্ত বৈশাখ সিংগাইর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের দলিল লেখকদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুরবাড়ি দক্ষিণডিহি ফুলতলা খুলনায় নতুনতারা পরিবারের সাহিত্য আড্ডা পিএমজি অভ্যন্তরের বৃক্ষ নিধনের প্রতিবাদে বাপা’র মানব বন্ধন

অনুমোদন ছাড়াই ‘মামা-ভাগিনা দই ঘর’-এর ব্যবসা, জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ

Reporter Name / ৬৭ Time View
Update : সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন
স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই মামা-ভাগিনা দই ঘর নামে একটি প্রতিষ্ঠানের দই উৎপাদন ও বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির তৈরি দই খেয়ে কয়েকজন শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি যথাযথ মান নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই খাদ্যপণ্য বাজারজাত করে আসছে। এছাড়া তাদের পণ্যের মোড়কে উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের সময়সহ বাধ্যতামূলক বিভিন্ন তথ্য উল্লেখ না করার অভিযোগও রয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর উপপরিচালক (মেট্রোলজি) প্রকৌশলী মো. আব্দুল হান্নান বলেন,
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে আমাদের কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র জমা দেওয়া হয়নি।
ডিমলা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির বলেন,
অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে নীলফামারী জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিরাপদ খাদ্য অফিসার মো. শিহাব উদ্দিন জানান,
“বিষয়টি আগে আমাদের নজরে আসেনি। এখন অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে মামা-ভাগিনা দই ঘর এর প্রোপ্রাইটর সাইফুল ইসলাম বলেন,
যারা ডেট চান, তাদের আমরা ডেট দিয়ে থাকি।

এদিকে সচেতন মহলের প্রশ্ন, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট একটি খাদ্যপণ্যের প্রতিষ্ঠান কীভাবে দীর্ঘদিন প্রশাসনের নজরদারির বাইরে পরিচালিত হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd