• শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নাজিরপুরের কৃতি সন্তান আলহাজ্ব মিজানুর রহমান দুলাল ভাইকে অভিনন্দন জানালেন জাতীয় মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ মৃত্যু অনিবার্য, শ্বাশত জগন্নাথপুর পৌর শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে মেয়র প্রার্থী সুজাতুর রেজার উদ্যোগে বিশেষ অভিযান নীলফামারীতে ফুয়েল কার্ড চালু কেউ খুশি, কেউ বিপাকে সালথার সাড়ুকদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় এর -২০২৬ সালের এসএসসি পরিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কবিতাঃ নীরবতার দেয়াল জগন্নাথপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে নবাগত ইউএনও এর মতবিনিময় কবিতা: দুই বছরের নিরীক্ষাযাত্রা হৃদয়ের আঙিনায় শাশ্বত এক যুগলবন্দী কবিতাঃ মরমী মন

হোসেনপুরে আগাম বৃষ্টিতে বোরো ধান তলিয়ে কৃষকের কান্না

Reporter Name / ৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

মোঃ আল আমিন, হোসেনপুর প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা-এ আগাম বর্ষণের পানিতে তলিয়ে গেছে শত শত একর বোরো ধান। কাটার অপেক্ষায় থাকা পাকা ফসল হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, খালের ওপর অবৈধ বাঁধ ও পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় এই বিপর্যয় আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
যে পানি মানুষের জীবন বাঁচায়, সেই পানিই আজ কেড়ে নিয়েছে শত শত কৃষকের বেঁচে থাকার স্বপ্ন। সবুজে ঘেরা সোনালি ধানের মাঠ এখন পরিণত হয়েছে নিঃশব্দ জলরাশিতে। সেই পানির দিকে তাকিয়ে কৃষকের চোখে ভাসছে অসহায়ত্ব আর বুকভরা হাহাকার।
এই চিত্র পানান বিল এলাকায়। আর মাত্র কয়েকদিন পরেই ঘরে উঠত সোনালি ফসল। কিন্তু চৈত্রের শেষ আর বৈশাখের শুরুতেই টানা বর্ষণে শত শত একর পাকা ধান তলিয়ে গেছে পানির নিচে। এক বছরের শ্রম, ঘাম আর আশা মুহূর্তেই ভেসে গেছে পানির স্রোতে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অভিযোগ, শুধু প্রাকৃতিক দুর্যোগ নয়—এই বিপর্যয়ের পেছনে রয়েছে মানুষের অবহেলাও। পানান বিলের সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলোতে পানি প্রবেশের পথ থাকলেও বের হওয়ার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বারই খালি খাল-এর ওপর মাছ ধরার জন্য তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন বাঁধ ও ফিশারি। প্রভাবশালী মহলের এসব অবৈধ বাঁধের কারণে স্বাভাবিক পানি প্রবাহ ব্যাহত হয়ে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
এই পানান বিল ঘিরে রয়েছে ডাংরি, দক্ষিণ পানান, সৈয়দপুর, গাংগাটিয়া লাখুহাটিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা। পাশাপাশি কিশোরগঞ্জ সদর ও ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলা-এর অসংখ্য কৃষকের জমিও এই বিলে রয়েছে।
শুধু হোসেনপুর উপজেলাতেই দুই শতাধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আশপাশের উপজেলাগুলো মিলিয়ে ক্ষতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে কয়েকশত পরিবারে।
এখন কৃষকদের চোখে শুধু অনিশ্চয়তা—কীভাবে তারা ঘুরে দাঁড়াবে, কীভাবে চলবে তাদের পরিবার।
তাদের একটাই দাবি—দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, খালের ওপর নির্মিত অবৈধ বাঁধ অপসারণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য জরুরি সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd