• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
গোয়াইনঘাটে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন তেরখাদা সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চমক দেখাতে পারেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম নিউজিল্যান্ড সিরিজে টি-২০ দলে চমক, প্রথমবার ডাক পেলেন সৈয়দপুরের সাকলাইন বাগেরহাটে সরকারি খাস জমি অবমুক্ত, মাদ্রাসার কাজে ব্যবহারের অনুমতি পৌরসভা নির্বাচনে সরগরম মাঠ জগন্নাথপুরে মেয়র পদপ্রার্থী মাওলানা জয়নাল আবেদীনের ব্যাপক গণসংযোগ মোরেলগঞ্জে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণে বাধা ও ভাঙচুরের অভিযোগ সিলেটের বিশ্বনাথের হাবড়া বাজারে মাইক্রোবাস উপ-কমিটির কার্যালয় উদ্বোধন সিংগাইরে মোবাইল কোর্টে মাটিকাটায় ব্যবহৃত এস্কেভেটর অকার্যকর সিংগাইরে এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হঠাৎ পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন শেষ চিঠি- কলমেঃ রোজিনা খাতুন

ডিমলায় প্রতিহিংসায় সীমানা প্রাচীর ধস, ঝুঁকিতে সহকারী অধ্যাপকের তিনতলা ভবন

Reporter Name / ৩৯৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট, ২০২৫

মোঃ রায়হান পারভেজ (নয়ন) ডিমলা নীলফামারী

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বাবুরহাট এলাকায় প্রতিহিংসামূলক ঘটনার জেরে ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ জহুরুল হকের সদ্য নির্মিত তিনতলা ভবন মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়েছে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম আতঙ্ক।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১১ বছর আগে সহকারী অধ্যাপক জহুরুল হক ২০ শতক জমি ক্রয় করেন। জমিটি কিনেছিলেন মৃত ক্ষিতীশ চন্দ্র রায় ও তার ছেলে দীপক চন্দ্র রায়ের কাছ থেকে। পরবর্তীতে তিনি সেখানে তিনতলা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং প্রথম তলার নির্মাণ শেষ হয়। কিন্তু ভবন নির্মাণ শুরু হওয়ার পর থেকেই চলাচলের রাস্তা নিয়ে তার সঙ্গে দীপক চন্দ্র রায়ের বিরোধ তৈরি হয়।

জহুরুল হকের অভিযোগ, এই বিরোধের জের ধরে দীপক চন্দ্র রায়, তার পরিবারের সদস্য ও সহযোগীরা ভবনের ঠিক পাশ ঘেঁষে ৫ ফুট উচ্চতার সীমানা প্রাচীরের পাশে গভীর গর্ত খনন করে। এর ফলে গত শুক্রবার (৮ আগস্ট) সকালে সীমানা প্রাচীর ধসে পড়ে। বর্তমানে ভবনটি মারাত্মকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এবং যে কোনো সময় ধসে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বিরোধ মীমাংসায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা একাধিকবার চেষ্টা করলেও কোনো সমাধান হয়নি। বরং গর্ত খননের মতো বিপজ্জনক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা পরিবারের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করেছে।

এ বিষয়ে ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফজলে এলাহী বলেন, একই ঘটনার বিষয়ে পূর্বেও একটি অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। নতুন করে সীমানা প্রাচীর ধসের ঘটনায় আবারো অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এসআই মোঃ রাজু আহমেদকে। তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়দের মতে, গভীর গর্ত খননের কারণে শুধু ভবনই নয়, আশপাশের এলাকা ও বাসিন্দাদের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে পড়তে পারে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd