• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
সিংগাইরে এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হঠাৎ পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন শেষ চিঠি- কলমেঃ রোজিনা খাতুন লোহাগাড়ায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২৬ এর উদ্বোধন করলেন ডাঃ ইকবাল হোসাইন লোহাগাড়ায় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মং এছেন বিশ্বনাথে দৌলতপুর ইউ/পির জনপ্রতিনিধির সাথে মত বিনিময় করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান সিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হতে স্বদেশে আসলেন বিএনপি নেতা জসিম উদ্দিন সেলিম নিয়ামতপুরে একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কটে হত্যা এসএসসি পরীক্ষা শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের ‘প্রতিদিনের জগন্নাথপুর’ পরিবারের অভিনন্দন এসএসসি ২০২৬ সামনে, ডিমলায় বিদ্যুৎ সংকটে দিশেহারা শিক্ষার্থীরা

কিশোরগঞ্জে মামা কে বাসা থেকে বের করে দিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ভাগ্নের

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

মোঃ মাহ্ফুজুল হক খান (জিকু) জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জে মামাকে বাসা থেকে বের করে দিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে ভাগ্নের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মামা হাজী আবুল হাসান হাশিম। গত ২ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ জজ কোর্টের আমল গ্রহণকারী আদালত নং-১ এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

অভিযুক্তরা হলেন- কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার গাইটাল ব্যাংক কলোনি রোডের মৃত আব্দুর রশিদের দুই ছেলে জহিরুল ইসলাম (৪৫), মকবুল হোসেন (৫০) ও মকবুল হোসেনের ছেলে মনির হোসেন (২২)। তাদের সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত হয়েছেন সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহায়ক হারুয়া এলাকার মৃত মিন্টু মিয়ার ছেলে এনামুল (২৭), মহিনন্দ ইউনিয়নের মুস্তাক (৫০) এবং পাকুন্দিয়া উপজেলার ছোট আজলদী গ্রামের নইমুল্লার ছেলে আব্দুল মালেক (৪০)।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কিশোরগঞ্জ শহরের রথখলা এলাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে হাজী আবুল হাসান হাশিম এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

আবুল হাসান হাশিম জানান, ২০০৬ সালের ১০ অক্টোবর ও ২০০৮ সালের ১৭ নভেম্বর ভাগ্নে জহিরুল ইসলাম ও মকবুল হোসেনের কাছ থেকে সোয়া চার শতাংশ জমি ক্রয় করেন তিনি। এরপর মাটি ভরাট করে সেখানে আধাপাকা ভবন নির্মাণ করে বসবাস ও ভাড়া দিয়ে আসছিলেন। জমি কেনার সময় ভাগ্নেদের বিশ্বাস করে দলিল রেজিস্ট্রির দায়িত্ব তাদের উপর ছেড়ে দেন। তবে সকল কাগজপত্র,গ্যাস,পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগ তার নামেই ছিল।

প্রায় দুই বছর আগে অভিযুক্তরা দাবি করেন জমির দাগ নম্বর ভুল আছে এবং আদালতের মাধ্যমে সংশোধন করতে হবে। তাদের কথায় আবুল হাসান মামলা দায়ের করলে ওই সুযোগে ভাড়াটিয়াদের বের করে দিয়ে বাসা দখল করে নেন ভাগ্নেরা। পরে বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন তিনি।

এরপর গত ১৫ জুলাইসহ বিভিন্ন সময়ে অভিযুক্তরা তার কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। শুধু তাই নয়,এনামুল,মুস্তাক ও আব্দুল মালেক তার গ্রামের বাড়িতেও গিয়ে চাঁদার টাকা দিয়ে সমস্যা মীমাংসার জন্য চাপ দেন এবং বাসায় গেলে খুনের হুমকিও দেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অভিযুক্ত মোঃ–জহিরুল ইসলাম বলেন,আদালতে মামলা রয়েছে, বিষয়টি আদালতেই দেখবে।

সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অফিস সহায়ক মো.এনামুল হক তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে জানান,অভিযোগ মিথ্যা। নিউজ করলে সমস্যা নেই, তবে দয়া করে আমার স্যারের কাছে বলবেন না, বললে চাকরি থাকবে না।’

এসময় সংবাদ সম্মেলনে হাজী আবুল হাসান হাশিমের স্ত্রী শুভা হাসান,শ্বশুর ফরিদ মিয়া,বড় ভাই মোহাম্মদ আলী ও ভাইরা ভাই আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

অভিযুক্ত এনামুলের বিষয়ে জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রার আব্দুল খালেক বলেন,ভুক্তভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে এনামুলের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd