• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
গোয়াইনঘাটে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন তেরখাদা সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চমক দেখাতে পারেন চেয়ারম্যান প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম নিউজিল্যান্ড সিরিজে টি-২০ দলে চমক, প্রথমবার ডাক পেলেন সৈয়দপুরের সাকলাইন বাগেরহাটে সরকারি খাস জমি অবমুক্ত, মাদ্রাসার কাজে ব্যবহারের অনুমতি পৌরসভা নির্বাচনে সরগরম মাঠ জগন্নাথপুরে মেয়র পদপ্রার্থী মাওলানা জয়নাল আবেদীনের ব্যাপক গণসংযোগ মোরেলগঞ্জে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণে বাধা ও ভাঙচুরের অভিযোগ সিলেটের বিশ্বনাথের হাবড়া বাজারে মাইক্রোবাস উপ-কমিটির কার্যালয় উদ্বোধন সিংগাইরে মোবাইল কোর্টে মাটিকাটায় ব্যবহৃত এস্কেভেটর অকার্যকর সিংগাইরে এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হঠাৎ পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন শেষ চিঠি- কলমেঃ রোজিনা খাতুন

তাহিরপুরে ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় ২ নং অভিযুক্তের দাবি: “আমি ছিলাম শুধু সাক্ষী”

Reporter Name / ৬৬২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ আগস্ট, ২০২৫

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়ছড়া জয়বাংলা বাজার এলাকায় এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ গত ২৮ জুলাই দেশের কয়েকটি অনলাইন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদের শিরোনাম ছিল: “তাহিরপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ: বাজার কমিটির ‘বিচার’, সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া”।

সংবাদ প্রকাশের পর ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচিত হয় এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তবে এরই মধ্যে ২ নং অভিযুক্ত হিসেবে যাকে উল্লেখ করা হয়েছিল— আনু মিয়ার ছেলে আওয়াল মিয়া, তিনি এবং তার পরিবার দাবি করেছেন, এ ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

আওয়াল মিয়ার ভাষ্যমতে “আমি শুধু একটি বিড়ি ধরাতে এক লোকের কাছে গিয়েছিলাম। আমি যাওয়ার আগেই সেখানে ৪–৫ জন লোক উপস্থিত ছিল। পরে একদিন পর হঠাৎ করে আমাকে রাস্তা থেকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় বাজার কমিটির সামনে। আমাকে জিজ্ঞেস করা হয়—আমি কিছু দেখেছি কি না। আমি তখন বলি, কিছু দেখিনি, কেবল মানুষের মুখে শুনেছি। ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।”

তার বাবা আনু মিয়া বলেন:
“আমার ছেলেকে ঘটনাস্থলে ডেকে নেওয়া হয়েছিল কেবল সাক্ষী হিসেবে। এখন কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তার মানহানি করার জন্য তাকে ঘটনাটির সাথে জড়িয়ে গুজব ছড়াচ্ছে।”

প্রকাশিত সংবাদের পর অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্তব্য করেছেন— ধর্ষণের মতো ফৌজদারি অপরাধের ‘বিচার’ কোনো বাজার কমিটি করতে পারে না। আইন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বাংলাদেশ দণ্ডবিধি অনুযায়ী ধর্ষণ একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ, যার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. দেলোয়ার হোসেন পূর্বে গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, “এ বিষয়ে এখনো থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি। তবে বিষয়টি শুনেছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তাহিরপুরে আলোচিত ধর্ষণ-অভিযোগ-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় এক অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন বিষয়টি এখনো তদন্তাধীন। স্থানীয়দের দাবি— ঘটনার প্রকৃত তথ্য উদ্ঘাটনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ নেওয়া হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd