• বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নিউজিল্যান্ড সিরিজে টি-২০ দলে চমক, প্রথমবার ডাক পেলেন সৈয়দপুরের সাকলাইন বাগেরহাটে সরকারি খাস জমি অবমুক্ত, মাদ্রাসার কাজে ব্যবহারের অনুমতি পৌরসভা নির্বাচনে সরগরম মাঠ জগন্নাথপুরে মেয়র পদপ্রার্থী মাওলানা জয়নাল আবেদীনের ব্যাপক গণসংযোগ মোরেলগঞ্জে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণে বাধা ও ভাঙচুরের অভিযোগ সিলেটের বিশ্বনাথের হাবড়া বাজারে মাইক্রোবাস উপ-কমিটির কার্যালয় উদ্বোধন সিংগাইরে মোবাইল কোর্টে মাটিকাটায় ব্যবহৃত এস্কেভেটর অকার্যকর সিংগাইরে এসএসসি পরীক্ষাকেন্দ্রে হঠাৎ পরিদর্শনে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন শেষ চিঠি- কলমেঃ রোজিনা খাতুন লোহাগাড়ায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২৬ এর উদ্বোধন করলেন ডাঃ ইকবাল হোসাইন লোহাগাড়ায় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মং এছেন

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় প্রতিবন্ধী স্কুলের ২৮০কেজি বই বিক্রির অভিযোগ

Reporter Name / ১২৮ Time View
Update : রবিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

 

মোঃ রফিকুল ইসলাম টিটু, ধর্মপাশা প্রতিনিধি

 

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ধর্মপাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. টিটু মিয়া ও সহকারী শিক্ষিকা সীমা আক্তারের বিরুদ্ধে ২৮০ কেজি সরকারি পুরোনো বই বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলার দুধবহর গ্রামের বাসিন্দা আরিফ (৩৫) নামের এক ব্যক্তি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এলাকাবাসী, বই ক্রেতা ও স্কুল সূত্রে জানাযায়, ধর্মপাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. টিটু মিয়া গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে প্রতি কেজি পুরোনো বই ১৩টাকা দামে উপজেলার নোয়াবন্দ গ্রামের কিতাব আলীর (৬৫) কাছে বিক্রি করেন। ওইদিন বেলা ১টার দিকে ওই স্কুলটির সহকারী শিক্ষক সীমা আক্তারের কাছ থেকে ২৮০ কেজি এসব পুরোনো বই মেপে বুঝে নেনে ওই বই বিক্রেতা। ওইদিন বেলা ২টার দিকে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টির সামনের সড়কে ভ্যানগাড়ি ভর্তি প্লাস্টিকের বস্তায় মুড়ানো বই দেখে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে তারা ভ্যানগাড়ি ভর্তি সরকারি বইগুলো উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে ধর্মপাশা প্রতিবন্ধী স্কুলের সহকারী শিক্ষক সীমা আক্তারের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান হুম আমরা বিক্রি করেছি তবে এগুলো পুরাতন বই। তবে প্রধান শিক্ষক মো. টিটু মিয়া দাবি করেন, পুরোনো বইগুলো থাকার কারণে স্কুলের অফিস রুমের ভেতরের পরিবেশটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তাই বইগুলো বিক্রি করা হয়েছিল। তিনি বলেন, আমরা যে ভুলটা করেছি সেটি হলো ইউএনও স্যারকে বই বিক্রির বিষয়টি অবগত করিনি। সমাজ সেবা কর্মকর্তা তৌফিক আহমেদ জানান তদন্ত প্রক্রিয়া দিন আছে সুস্থ তদন্তের ভিত্তিতে আসামিদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। এলাকা বাসীর একটাই অভিমত প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষিকাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূল শাস্তি দাবি করছি। এব্যাপারে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনি রায় বলেন, তদন্ত কমিটিকে দায়িত্ব দিয়েছি রিপোর্ট আসার সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd