• সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

কবি ও গীতিকার মোঃ জাবেদুল ইসলাম এর একগুচ্ছ কবিতা

Reporter Name / ১০৬ Time View
Update : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

 

হেমন্তের আনন্দ

হেমন্ত কাল চারি দিকে,
লাগছে দারুণ আনন্দ।
দেখি সেথা হাসি খুশি,
নাই কোথাও নিরানন্দ।

চোখে মুখে হাসির ঝলক,
জ্লছে গায়ে গায়ে।
কাস্তে হাতে চলছে ক্ষেতে,
কৃষক খালি পায়ে।

নতুন ধানের ঘ্রাণ নিয়ে,
ভরে কৃষকের গোলা।
হেমন্তের আনন্দ তাই যেন,
কৃষককে দেয় দোলা।

ধৈর্য ধরে চালাই গাড়ি

ধৈর্য ধরে চালাই গাড়ি,
নিরাপদে ফিরি বাড়ি।
দেখে শুনে বুঝে সুজে,
দুরের পথে দেই পারি।

ট্রাফিক সাইন মেনে চলি,
প্রতি মোড়ে অলি গলি।
সাবধানে চালাই গাড়ি,
মোবাইলে কথা না বলি।

ডানে বামে ডানে আবার,
রাস্তা দেখে হই পারাপার।
নিরাপদ হউক যেন আজ,
জীবন মানুষ সকর সবার।

হর্ন না বাজাই যেথা সেথা,
শব্দ দুষন রোধ করি তথা।
হাসপাতাল আর মসজিদ,
গীর্জা প্যাগোডা পাঠশালা।

ধীর গতিতে চালাই গাড়ি,
ফিরবে নিরাপদে বাড়ি।
যদি কমাও গাড়ির গতি,
কমবে জীবন সম্পদের ক্ষতি।

আপন বলতে নাই কেহ

আসছি একা যাবো একা,
কেউ যাবে না সাথে।
একলা ঘরে থাকতে হবে,
সকাল বিকাল রাতে।

কেউ নিবে না তোমার খবর,
কেমন আছো তুমি।
কেমন করে থাকো সেথায়,
একলা ঘরে ঘুমি।

কেউ ডেকে বলবে না,
কি খেয়েছো ভাই?
আপন জনেরা আজি কেউ,
তোমার পাশে নাই।

যাদের জন্য তোমার জীবন,
রক্ত করেছো পানি।
তারা কেহ বসে না তোমার,
পাশে একটু খানি।

এই দুনিয়া বড়ই কঠিন,
কঠিন স্বার্থপর।
আপন বলতে নাই কেহ,
সবাই হয় যে পর।

সুখী মানুষ

এই সমাজে কিছু মানুষ,
থাকে মহা সুখে।
দুঃখ কষ্ট নাইতো তাদের,
হাসি তাদের মুখে।

চাহিদা নাই তো কোনো,
না-ই কোনো সাধ।
যাহা জোটে তাই খেয়ে,
সেথায় হয় কাত।

রোগ ব্যধির ধার ধারে না,
করে না কোনো ভয়।
সব কিছুকে ঝেরে ফেলে,
ভয় কে করে জয়।

এই সমাজে সাহসী তারা,
তারাই হলো বীর।
সুখী মানুষ বলি তাদের,
নত করেনা শির।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd