• রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
জগন্নাথপুরে বোরো ধান সংগ্রহ উদ্বোধন উপবৃত্তির প্রলোভনে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা: গণধোলাইয়ের শিকার শিক্ষক হাসপাতালে জগন্নাথপুরের সন্তান রুহুল কিস্ত চৌধুরী জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত খুলনা রেলওয়ে কলোনীতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পারিবারিক অভিমানের জেরে আত্মহত্যার আশঙ্কা পাইকগাছায় অনলাইন জুয়া ও মাদকবিরোধী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক বাগেরহাটের কৃতি সন্তান হাসিবুর রহমান রবি কবিতাঃ কাঁঠাল কবিতাঃ ভালোবাসি দৈনিক বীর চট্টগ্রাম মঞ্চ এর রজত জয়ন্তী উৎসব অনুষ্ঠানে শফিকুল ইসলাম রাহী সংবর্ধিত নিয়ামতপুরে ‘ভাবিচা গণহত্যা দিবস’ পালিত

উপবৃত্তির প্রলোভনে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা: গণধোলাইয়ের শিকার শিক্ষক হাসপাতালে

Reporter Name / ২১ Time View
Update : রবিবার, ৩ মে, ২০২৬

মোহাম্মদ সুজন মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার, জগন্নাথপুর

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরসভাধীন ইসহাকপুরস্থ আল জান্নাত ইসলামিক এডুকেশন ইনস্টিটিউট কামিল মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে ওই প্রতিষ্ঠানের আরবি প্রভাষক সামসুল হুদার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত সামসুল হুদা কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার বড়বাম গ্রামের মাওলানা আলী নওয়াবের ছেলে।

গত শনিবার (২ মে) মাদ্রাসা বন্ধ থাকা সত্ত্বেও উপবৃত্তির ফরম পূরণের কথা বলে আলিম প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে ডেকে আনেন তিনি। শিক্ষক মিলনায়তনে জনমানবহীন পরিবেশের সুযোগ নিয়ে তিনি ওই ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। ভুক্তভোগী ছাত্রীটি কোনোমতে সেখান থেকে পালিয়ে বাড়ি গিয়ে স্বজনদের বিষয়টি জানালে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে সন্ধ্যার দিকে উত্তেজিত এলাকাবাসী অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে গণধোলাই দেয়। বর্তমানে তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামসুল হুদার বিরুদ্ধে এর আগেও নৈতিক স্খলনের গুরুতর অভিযোগ ছিল। ২০১৫ সালে যোগদানের পর মুঠোফোনে আপত্তিকর কর্মকাণ্ডের দায়ে থানায় অভিযোগ হলে তিনি বরখাস্ত হয়েছিলেন। তবে ২০১৮ সালে গভর্নিং বডির হস্তক্ষেপে তিনি পুনরায় নিয়োগ পান। ঘটনার রোববার দুপুরে সংবাদকর্মীরা মাদ্রাসায় গিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ দেখতে পান। পরে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে প্রতিষ্ঠানটির সুপার মাওলানা মোঃ শহিদুল ইসলাম নিজামী এসে জানান যে, ঘটনার সময় তারা কেউ মাদ্রাসায় উপস্থিত ছিলেন না। বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং গভর্নিং বডির অনুমতি ছাড়া এই মুহূর্তে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয় বলে তিনি জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার অরুপ কুমার রায় বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও ন্যাক্কারজনক। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি আরও জানান, বিষয়টি ইতোমধ্যে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং মাদ্রাসার সংশ্লিষ্টদের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ইসলাম উদ্দিন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি একটি ট্রাস্টি বোর্ড পরিচালনা করছে। মাদ্রাসা সুপারসহ সংশ্লিষ্টদের ইতোমধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd