• শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কয়রায় যুবলীগ কর্মীর হামলায় বিএনপির তিন কর্মী আহত সুস্থ সমাজ গঠনে ক্রীড়া ও সংস্কৃতির বিকল্প নেই: হুইপ রকিবুল ইসলাম গল্প: সোনালী বিকেলের সেই মেয়ে বাজিতপুরে বিশ টাকার বিরোধে বিপ্লব হত্যা: হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন রূপের রানী’খ্যাত জাদুকাটা নদী এখন নৌপথের এক ভয়াবহ চাঁদাবাজির করিডোরে পরিণত হয়েছে নওগাঁয় চার হত্যাকান্ড, গ্রামবাসী মিলে করলেন কবর জিয়ারত শত বছরে অসহায় হামেদা, দ্বারে দ্বারে ঘুরেই চলছে জীবন সংগ্রাম সিংগাইরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছোট ভাই গংদের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যু! আহত-১ নাজিরপুরের কৃতি সন্তান আলহাজ্ব মিজানুর রহমান দুলাল ভাইকে অভিনন্দন জানালেন জাতীয় মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ মৃত্যু অনিবার্য, শ্বাশত

নওগাঁয় চার হত্যাকান্ড, গ্রামবাসী মিলে করলেন কবর জিয়ারত

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যায় গত বুধবার হাবিবুরের নিজ বাড়ির উঠানে তাদের কবর দেওয়া হয়।
আজ শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন গ্রামবাসীকে আহ্বান জানান কবর জিয়ারতের। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে গ্রামবাসী জুম্মার নামাজের পর নিহত চারজনের কবর জিয়ারত করেন। কবর জিয়ারত শেষে পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন কান্নায় ভেঙে পড়েন।
কবর জিয়ারতের পর পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, আমার ধৈর্য ধারণ করতে পারছি না। আমার ছেলের মতো জামাই ও মেয়েকে তারা সম্পত্তির লোভে গলা কেটে হত্যা করেছে। ছাড়েনি তিন বছরের নাতনি ও ৯ বছরের নাতিকে। ঘাতকদের ফাঁসি হলে হয়তো তাদের আত্মা শান্তি পাবে।
বাহাদুরপুর গ্রামের আলামিন বলেন, গ্রামের সকলেই একটা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। এমন নিঃসংশ হত্যাকান্ডে যেন না ঘটে সেজন্য তাদের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া প্রয়োজন।
নিহতরা হলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২) তাঁর স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)।
গত সোমবার গভীর রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। পরদিন বুধবার বিকেলে চারজনকে নিজ বাড়ির উঠানে দাফন করা হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুতই খুনের রহস্য উদঘাটন করে। হাবিবুরের ভাগিনা সবুজ রানা(২৫), আরেক ভাগিনা শাহিন আলম(৩৫) ও ভগ্নিপতি শহিদুল মন্ডল (৫০) এ হত্যাকান্ড অংশ নেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যাকান্ড ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করে।
আদালতে সবুজ রানা জবানবন্দিতে এই হত্যাকান্ডের ঘটনা স্বীকার করে।
গত বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ উপপরিদর্শক (এসআই) চাঁদ আলী আদালতে অপর দুই আসামি শাহিন আলম ও শহিদুল মন্ডলের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে তাদের দুই দিনের রিমান্ড আবেদন মন্জুর করে।
উল্লেখ্য নিহত হাবিবুর রহমানের পিতা বা বোনদেরকে দেখা যায়নি কবর জিয়ারতে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd