মোঃ- মাহ্ফুজুল হক খান (জিকু) জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জ
এম,পি নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই একের পর এক ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগের মুখে পড়েছেন পাকুন্দিয়ার উপজেলার প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী,সরকারি পিপি, এ্যাডভোকেট মো.জালাল উদ্দিন।
সম্প্রতি একটি ভুয়া সংবাদে দাবি করা হয়, তিনি কলেজের মোটরসাইকেল ব্যবহার করেছেন এবং পলিকেল পাবলিক স্কুলে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। এইসব অভিযোগ কে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি। তার বক্তব্য,এসব মিথ্যা অপপ্রচার কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে জন্ম নিয়েছে।
এ্যাডভোকেট মোঃ-জালাল উদ্দিনের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরু হয় ১৯৭৮ সালে,এসএসসি পাস করার পর থেকেই। ১৯৮৫ সালে তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে মাঠে থেকে অংশ নেন এবং সেই সময় অসখ্য মামলার আসামিও হন। ওই বছর তিনি উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৯ সালে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং ২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত পাকুন্দিয়া পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ২০০৮ সাল থেকে জেলা বিএনপি’র আইনজীবী সমিতির সভাপতি এবং ২০০৬-২০০৮ সাল পর্যন্ত পিপি (Public Prosecutor) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
করোনা মহামারির সময় (২০১৯-২০২১) তিনি মাঠে থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি এখন পর্যন্ত প্রায় ২৫০-৩০০ রাজনৈতিক মামলায় আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন এবং ১২টি মামলায় সরাসরি আসামিও ছিলেন।
২০২১ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ডুলদিয়া এলাকায় ব্যালট বাক্স কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত হন আবুল কাহার আকন্দ,যিনি রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে কেন্দ্র দখলের অভিযোগে আলোচিত ছিলেন। একই সঙ্গে সুমন হত্যা মামলায় প্রধান আসামি হিসেবেও তার নাম উঠে আসে। এ মামলায় ১১ জন আসামির মধ্যে ৭ জন হাইকোর্ট থেকে জামিন পান,বাকি ৪ জন পলাতক রয়েছেন। মামলাটি বর্তমানে চলমান।
এই প্রসঙ্গে পাকুন্দিয়ার সাধারণ জনগণ এবং স্থানীয় নেতাকর্মীদের বক্তব্য, এ্যাডভোকেট মোঃ-জালাল সাহেব একজন সৎ, নির্বীক দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব নেতা। তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সবেই মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
এ্যাডভোকেট মোঃ-জালাল উদ্দিনের বক্তব্য:
আমি আজীবন রাজনীতিতে মানুষের অধিকার, ন্যায়ের পক্ষে কাজ করেছি। যারা আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে,তাদের উদ্দেশ্য সফল হবে না কখনোই। জনগণই আমার শক্তি।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ্যাডভোকেট মোঃ–জালাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা অভিযোগের পেছনে রয়েছে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে এক ধরনের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। তবে সচেতন জনগণ এসব অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে তার পাশে থাকছে বলেও জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সর্বশেষ এটাই প্রমাণিত হলো যে মিথ্যা,ভিত্তিহীন, অভিযোগে রাজনৈতিক নীতি আদর্শকে কখনো বিলীন করা যায় না।