• বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল-এর কবিতা মা বিকল্প রাজনীতির কথা ভেবেছিলেন ডা. বি. চৌধুরী: ওবায়দুর রহমান মৃধা প্রতিশ্রুতির ফাঁদে ঘর ছাড়া পরিবার”অনিশ্চয়তায় মা-মেয়ের জীবন রংপুর আর্মি মেডিকেলে চান্স পেল সোনাকানিয়ার কৃতি সন্তান আদনান সামী জগন্নাথপুরে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার ৪ আসামী গ্রেফতার জগন্নাথপুরে রোদ উঠেছে হাওরে খলায় বেড়েছে ব্যস্ততা নাসির আহমেদের সম্মাননা অর্জনে খুলনা আর্ট একাডেমিতে আনন্দঘন সংবর্ধনা নিয়ামতপুরে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু লোহাগাড়ায় সিলগালা করা মিষ্টি কারখানায় ফের অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা সিংগাইরে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত-৪ আতঙ্কে গ্রামবাসি

প্রতিশ্রুতির ফাঁদে ঘর ছাড়া পরিবার”অনিশ্চয়তায় মা-মেয়ের জীবন

Reporter Name / ৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬

সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের আঠালিয়া গ্রামে ভিটেবাড়ি রক্ষায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন জরিনা বেগম (৭৫) নামের এক বৃদ্ধা। বসতঘর ভাঙচুর ও উচ্ছেদের অভিযোগ তুলে তিনি ও তার মেয়ে রত্না আক্তার রুমা বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিনাতিপাত করছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে সরেজমিনে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, আঠালিয়া মৌজার আরএস ৯২৩, ৯২৪ ও ৯২৯ দাগের ৬৬ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। জরিনা বেগমের দাবি, তার নানা কোনো ছেলে সন্তান রেখে যাননি। ফলে তার মা ও দুই খালা ওই সম্পত্তির মালিক । মায়ের ওয়ারিশ সূত্রে তিনি ২২ বছর ধরে তারা ওই বাড়িতে বসবাস করে আসছেন।
পরিবারটির অভিযোগ, খালার ওয়ারিশান হিসেবে তার ছেলে জোয়ার্দার খাঁ সম্পত্তির একটি অংশ নোয়াখালীর ইছাক নামের এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেন। পরে ওই জমি স্থানীয় প্রবাসী আঠালিয়া গ্রামের মৃত জব্বারের ছেলে মিলনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর থেকেই জরিনা বেগমের পরিবারকে উচ্ছেদের নানা চেষ্টা করে মিলন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত মিলনের পক্ষ নিয়ে সম্প্রতি স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল বৃদ্ধার বসতবাড়ি দখলের চেষ্টা চালায়। অভিযোগ রয়েছে, গত ২০ এপ্রিল জরিনা বেগমের ভিটে বাড়িতে ঢুকে তারা ঘর ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এতে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
তবে অভিযুক্ত মিলন ঘরবাড়ি ভাঙচুরের কথা অস্বীকার করে বলেন, “জরিনা বেগমের ওই জায়গায় কোনো বৈধ স্বত্ব নেই। মানবিক কারণে ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে পাশেই ৫ শতাংশ জমি কিনে ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

এদিকে,বৃদ্ধার মেয়ে রত্না আক্তার রুমা বলেন,
“মীমাংসার আশ্বাস দিয়ে আমাদের ভিটেবাড়ি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখনো পুনর্বাসনের ব্যবস্থা সম্পূর্ণ হয়নি। মিলন ফাঁকি দিয়ে বিদেশে চলে যাওয়ার পর আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। বর্তমানে একটি ছোট দোকান ঘরে অর্ধাহারে-অনাহারে মানবেতর জীবন- যাপন করছি।
তিনি আরও বলেন, পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় তার পরিবার এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এ ব্যাপারে সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের কথা হয়েছে বলে শুনেছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd