• শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
জগন্নাথপুরে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত, সড়ক অবরোধ নিয়ামতপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু গোয়াইনঘাটে অটো চালক সমবায় সমিতির ১৬ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন জগন্নাথপুরে ওলিউর রহমান মালেকা জনকল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় নতুন ইউএনও মোছাঃ তানজিনা খাতুন লোডশেডিংয়ে দিশেহারা জনজীবন কিশোর গ্যাং শেষ করে দিল একটি তাজাপ্রাণ আমিরাবাদ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হচ্ছেন তরুণ সংগঠক ও সমাজ কর্মী তারেক আজিজ চৌধুরী জ্বালানি সংকটে বিপর্যস্ত ব্যবসা—বিদ্যুৎ ও জেনারেটর সেবায় ভরসা হারাচ্ছেন উদ্যোক্তারা জাফলংয়ে কূপ থেকে দেশীয় পিস্তল উদ্ধার, আটক ৩

কিশোর গ্যাং শেষ করে দিল একটি তাজাপ্রাণ

Reporter Name / ২০ Time View
Update : শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দিন, চট্টগ্রাম

১৭ বছরের একটা ছেলে-নাম আশফাক কবির সাজিদ। তার বাড়ি কক্সবাজার জেলার পেকুয়া। থাকে চট্টগ্রাম চকবাজার। স্বপ্ন ছিল, পড়াশোনা ছিল, সামনে ছিল একটা পুরো জীবন। কিন্তু সেই জীবনটা থেমে গেল এমন এক নৃশংসতায়, যা কল্পনাকেও হার মানায়।

চট্টগ্রামের চকবাজারের ডিসি রোডে, একদল তরুণ তাকে ডেকে নেয়। বন্ধুর ডাকে গিয়েছিল—বিশ্বাস নিয়ে। অথচ সেই বিশ্বাসই তার জীবনের শেষ ভুল হয়ে দাঁড়াল।

ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাকে জোর করে তুলে নেওয়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে ছুটে গিয়ে ঢুকে পড়ে একটি নির্মাণাধীন ভবনে। দরজা বন্ধ করে দৌড়ে উঠে যায় আটতলায়। হয়তো ভেবেছিল—ওখানেই বাঁচবে।কিন্তু বাঁচতে পারেনি।গেট খুলে দেওয়া হয়। ওরা ওপরে উঠে যায়। মারধর করে।তারপর… তাকে ফেলে দেওয়া হয় লিফটের অন্ধকার গর্তে। ভাবা যায়?একটা ছেলে শেষ মুহূর্তে কতটা ভয় পেয়েছিল?কতটা বাঁচতে চেয়েছিল?

হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শেষ হয়ে যায় একটা সম্ভাবনা, একটা পরিবার, একটা পৃথিবী।প্রশ্ন হচ্ছে—আমরা কোথায় যাচ্ছি?বন্ধুত্বের নামে ডেকে নিয়ে এমন নৃশংসতা—এটা কি শুধু কিছু বিপথগামী তরুণের কাজ, নাকি আমাদের সমাজের গভীর অসুখ? আরো ভয়ংকর বিষয়—একজন নিরাপত্তাকর্মীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।এই সমাজে তাহলে নিরাপত্তা কোথায়? আজ আশফাক, কাল কে? এই ঘটনাকে শুধু ‘খবর’ হিসেবে দেখে পাশ কাটিয়ে গেলে ভুল হবে।এই নীরবতা একদিন আমাদের সবার জন্য বিপদ হয়ে দাঁড়াবে।ন্যায়বিচার চাই।
কিন্তু তার চেয়েও বেশি দরকার—এই অমানবিকতা থামানোর সামাজিক প্রতিরোধ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd