• মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার্থীদের ‘প্রতিদিনের জগন্নাথপুর’ পরিবারের অভিনন্দন এসএসসি ২০২৬ সামনে, ডিমলায় বিদ্যুৎ সংকটে দিশেহারা শিক্ষার্থীরা ডিমলায় শুরু হলো হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম জগন্নাথপুরের কৃষকেরা ভালো নেই, দুর্ভোগের সঙ্গে বাড়ছে ধান কর্তন খরচ ॥ বাজারে নেই ধানের দাম বটিয়াঘাটায় শৈলমারী নদী দখলের মহোৎসব, প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য গাজীপুরে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি বনবিভাগের গেজেট থেকে অবমুক্তি প্রয়োজন সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন বিলকিস ইসলাম জলঢাকায় বজ্রপাতে ভ্যানচালকের মৃত্যু,শিক্ষক আহত নীলফামারীতে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সিলেটের বিশ্বনাথে খুনি মিজানের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

ডিমলায় শুরু হলো হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম

Reporter Name / ২৯ Time View
Update : সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬

মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন
স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় শিশুদের সুরক্ষায় হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ কর্মসূচির সূচনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুজ্জামানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা, স্বাস্থ্যকর্মী ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, এ ক্যাম্পেইনের আওতায় ডিমলা উপজেলায় মোট ৩৩ হাজার ১৬৫ জন শিশুকে টিকার অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম দিনেই প্রায় ২ হাজার শিশুকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে এক ডোজ এমআর টিকা প্রদান করা হবে। এ জন্য পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন মজুত, প্রশিক্ষিত জনবল এবং প্রয়োজনীয় কোল্ড-চেইন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদুজ্জামান জানান, ১১ দিনব্যাপী এই কর্মসূচির মধ্যে ৮ দিন কমিউনিটি পর্যায়ে এবং বাকি ৩ দিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ২৪০টি সাব-ব্লক কেন্দ্রের মাধ্যমে ধাপে ধাপে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করবেন। টিকাদান সম্পূর্ণ নিরাপদভাবে পরিচালনা করা হবে এবং কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা থাকবে।
স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হাম ও রুবেলা অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই এসব রোগ প্রতিরোধে টিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। অভিভাবকদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী শিশুদের টিকাকেন্দ্রে নিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সরকার নিয়মিতভাবে এ ধরনের টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে, যা শিশু মৃত্যুহার কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd