• বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রান্না ঘরের মাংস চুরির অভিযোগ খতিয়ে দেখার আহবান খুলনা নাগরিক সমাজের বটিয়াঘাটা উপজেলার হাটবাড়ি গ্রামে আড়াই কিলোমিটার রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী রাজনৈতিক বার্তা নাকি দ্বৈত অবস্থান—তারেক রহমানকে ঘিরে বিতর্ক কবিতাঃ চেতনায় ফাগুন কবিতা: কদবানু আলেয়ার চিঠি জগন্নাথপুরে মাওঃ শামছুল ইসলাম সুহেব দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে দারুল কিরাতের খেদমতে নিবেদিত রামপাল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শীর্ষে মোল্লা তরিকুল ইসলাম শোভন কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে বেড়িবাঁধের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ মা যেদিন যাবে, সেদিন আমিও মৃত জগন্নাথপুরে রান্নাঘরে আগুন লেগে পাঁচটি পরিবারের বিশাল ক্ষতি

বটিয়াঘাটা উপজেলার হাটবাড়ি গ্রামে আড়াই কিলোমিটার রাস্তা চলাচলের অনুপযোগী, চরম ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

Reporter Name / ৬ Time View
Update : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি:

বটিয়াঘাটা উপজেলার ২ নং সদর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের হাটবাড়ি গ্রামের দক্ষিণপাড়া থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমপাড়া পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার ইটের সলিং ও কাঁচা রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকার পরিবর্তন হলেও এ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি। দক্ষিণপাড়া থেকে পশ্চিমপাড়া পর্যন্ত সড়কের অধিকাংশ অংশ এখনো কাঁচা রয়েছে। যেখানে ইটের সলিং করা হয়েছে, সেখানেও ইট উঠে গিয়ে রাস্তা ভাঙাচোরা ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তায় কাদা জমে বর্ষা মৌসুমে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে।
দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা দীপায়ন মন্ডল বলেন, “এই রাস্তাটি আমাদের একমাত্র ভরসা। প্রতিদিন স্কুল-কলেজ, বাজার ও অফিসে যাতায়াত করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। বর্ষাকালে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা প্রদীপ জোদ্দার বলেন,রাতে কোনো রোগী অসুস্থ হলে এই রাস্তা দিয়ে হাসপাতালে নেওয়া খুবই কষ্টকর ঝাঁকুনিতে অনেক সময় রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছি, কিন্তু স্থায়ী কোনো সমাধান হচ্ছে না।এলাকায় প্রায় আট হাজার পরিবারের বসবাস। তাদের দৈনন্দিন যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই সড়কটি। বর্ষাকাল থেকে শুরু করে নভেম্বর মাস পর্যন্ত সড়কের অধিকাংশ অংশ কর্দমাক্ত থাকে। ফলে ভ্যান, মোটরসাইকেল এমনকি অ্যাম্বুলেন্স চলাচলও বাধাগ্রস্ত হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ওবায়দুল হক বলেন, রাস্তার সমস্যার বিষয়টি আমরা অবগত আছি। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় সুশীল সমাজ দ্রুত সড়কটি সংস্কার ও স্থায়ীভাবে পাকা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি,দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি নিরসনে এখন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণই সময়ের দাবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd