স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা আর্ট একাডেমির প্রাঙ্গণে প্রতিষ্ঠানের প্রচার সম্পাদক সৌহার্দ্য বিশ্বাসের ১৮তম জন্মদিন আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপন করা হয়। ২৬ এপ্রিল, রোববার জন্মদিন উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে কেক কেটে তাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস বলেন, খুলনা আর্ট একাডেমি ২০০৩ সাল থেকে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রম ডিজিটালভাবে পরিচালনা করতে হয়। কম্পিউটারের মাধ্যমে এই ডিজিটাল কার্যক্রম পরিচালনায় নবীন প্রজন্মের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন। সৌহার্দ্য বিশ্বাস ২০২৪ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন এবং দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আরও জানান, সৌহার্দ্য বিশ্বাস তাঁর ছেলে। ২০০৮ সালে সৌহার্দ্যের জন্মের পর থেকেই তিনি চিন্তা করেন—যে শহরে তাঁর সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে, সেই শহরেই তিনি জীবনের বাকিটা জীবন কাটিয়ে দেবেন। সেই ভাবনা থেকেই পূর্বের নাম পরিবর্তন করে প্রতিষ্ঠানের নাম রাখা হয় “খুলনা আর্ট একাডেমি” এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও সুন্দরভাবে পরিচালিত হতে থাকে। বর্তমানে সৌহার্দ্য বিশ্বাস সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। এই প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব তাকে দিলে সে সুন্দরভাবে পালন করতে পারবে। এই বিশ্বাস থেকেই চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস তাকে এই দায়িত্ব অর্পণ করেন। প্রতিষ্ঠানটি ছবি আঁকার পাশাপাশি আবৃত্তি, সংগীত, হাতের লেখা এবং চারুকলা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নের জন্য শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে। ২০২৪ সালে এসে এই প্রতিষ্ঠানের কিছু দায়িত্ব ছেলে সৌহার্দ্য বিশ্বাসের কাছে বুঝিয়ে দেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস। প্রচার সম্পাদক হিসেবে সৌহার্দ্য শিশু শিল্পীদের ক্লাস পরিচালনা, প্রচার-প্রচারণা এবং সাংবাদিকদের কাছে প্রতিষ্ঠানের সকল তথ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছেন। সৌহার্দ্য বিশ্বাসের ১৮তম জন্মদিন উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল থেকে আগত গীতা প্রশিক্ষক গীতা হালদার, প্রতিষ্ঠানের অক্ষরশিল্পী বাবু ধনঞ্জয় রায়, খুলনা শিপইয়ার্ড স্কুলের চারুকলার শিক্ষক সুব্রত কুমার মণ্ডল, শিক্ষক শিমুল মণ্ডল, শিক্ষক বিক্রম রায়, অনঘ ভৌমিক অভি, সুধাংশু দেবনাথ, ইলেকট্রিশিয়ান মোরশেদ খান, সম্প্রীতি বিশ্বাসসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। সকলেই সৌহার্দ্য বিশ্বাসের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। পাশাপাশি উপস্থিত সকলের কাছে সৌহার্দ্যের পিতা-মাতা তাঁর জন্য আশীর্বাদ প্রত্যাশা করেন।