আফরোজা ইয়াসমিন (মুন্নী)
১৯৯৭ সালের
৮ই মার্চ আমার জন্মদিন,
আফরোজা ইয়াসমিন মুন্নী
হাসিখুশি আমার জীবন।
হাসিমুখে কাটাই দিন,
সবারে রাখি খুশি,
ছোটবেলা থেকেই মনে
করবো ভালো কিছুই।
পড়ালেখা শেষ করে
নিলাম দৃঢ় মন,
একটি স্কুলের শিক্ষিকা
হয়েছি সেই ক্ষণ।
শিশুদের মাঝে আজ
শিক্ষা বিলাই আমি,
তাদের হাসি দেখলেই
ভরে ওঠে প্রাণখানি।
জীবনসঙ্গী পেয়েছিলাম
ভাগ্যের ডাকে একদিন,
তবে তিনি থাকেন এখন
বিদেশের দূর ভূবন।
দেশের বাইরে থাকেন তিনি
জীবিকারই তরে,
দূরত্ব থাকলেও ভালোবাসা
থাকে হৃদয় ভরে।
একদিন এলো জীবনে
মধুর আশার আলো,
গর্ভে এলো কন্যা সন্তান
মনে লাগল ভালো।
ঘরটা আমার ভরে গেল
আদর সোহাগে,
ছোট্ট কন্যা এলো যখন
মায়ের বুকের মাঝে।
আদরের সেই কন্যার নাম
মিফতাউল্ল জান্নাত নুশধা,
সে-ই আমার সুখের আলো
সে-ই হৃদয়ের দিশা।
মেয়ে এখন পাশে থেকে
ব্যস্ত রাখে আমায়,
তার হাসিতে প্রতিদিন
নতুন সুখের ছায়া পাই।
বাবার অভাব পূরণ করি
মায়ের ভালোবাসায়,
আমার ছোট সংসারটা
আলোয় ভরে যায়।
আজকে আমার জন্মদিন
আনন্দ ভরা দিন,
আমার মেয়ে করেছে
ছোট্ট আয়োজন।
তার সেই ভালোবাসায়
ভরে ওঠে মন,
মায়ের হৃদয় ভাসে আজ
আনন্দেরই ক্ষণ।
২৯তম জন্মদিনে
মেয়ের উপহার পেয়ে,
সব দুঃখ যেন হারিয়ে যায়
হৃদয় থেকে বেয়ে।
মা সোনা তুই বড় হবি
আমাদের ভালোবেসে,
তোকে নিয়ে স্বপ্ন মোদের
পূরণ হবে শেষে।
দাদা-দাদী, নানা-নানী
সবাইকে ভালোবাসবি,
সবার মন জুগিয়ে তুই
সবাইকে খুশি রাখবি।
তোর হাসিতে বাঁচবে আশা
আমাদের এই প্রাণ,
তুই হবি একদিন সবার
গর্ব আর সম্মান।
আজকের এই জন্মদিনে
প্রার্থনা করি মনে
আলো হয়ে জ্বলে উঠিস
আমাদের জীবন গগনে।