• মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
নুরুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধা, ভাষাসৈনিক, রাজাকার ও জুলাই যোদ্ধার সঠিক তালিকা চায় নতুন প্রজন্ম নজরুল ইসলাম মন্জুকে কেসিসির প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ায় খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন মাসের পর মাস না খেয়েও কীভাবে বাঁচে সাপ? উন্মোচিত হলো রহস্য তিস্তায় পাথর উত্তোলনের মহোৎসব, হুমকিতে ডিমলার একাধিক ইউনিয়ন সিংগাইরে কৃষি জমির মাটি যাচ্ছে ইটভাটায়, দেখার যেন কেউ নেই? জগন্নাথপুরে প্রবাসীর বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরি সংঘটিত বাগেরহাট ৩ আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী ডক্টর ফরিদুল ইসলামের নির্দেশে এলাকার সব ধরনের প্রচার সামগ্রী দ্রুত অপসারণ নির্দেশ বিশ্বনাথের লামাকাজি ইউনিয়নে সোনাপুর চ‍্যারিটি গ্রুপের পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ ‎করিমগঞ্জে রাতের আঁধারে প্রবাসীর শতাধিক মেহগনি গাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা স্থানীয়দের ক্ষোভ

তিস্তায় পাথর উত্তোলনের মহোৎসব, হুমকিতে ডিমলার একাধিক ইউনিয়ন

Reporter Name / ১৪ Time View
Update : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার তিস্তা নদীতে আবারও শুরু হয়েছে অবাধ পাথর উত্তোলন।(২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার) স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে চলছে পাথর তোলার মহোৎসব, অথচ সংশ্লিষ্ট প্রশাসন রয়েছে কার্যত নির্বিকার। ফলে নদী ভাঙন ও পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনের আলোতেই ড্রেজার ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে নদীর তলদেশ থেকে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং তলদেশ গভীর হওয়ায় আশপাশের এলাকাগুলো মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে। বিশেষ করে টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন আবারও তিস্তার গর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
অভিযোগ রয়েছে, পাথর উত্তোলনের কারণে নদীর পাড় দুর্বল হয়ে পড়ছে। বর্ষা মৌসুমে পানির চাপ বাড়লে বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিতে পারে। ইতিপূর্বে তিস্তার ভয়াবহ ভাঙনে বহু ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। সেই ক্ষত এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেননি অনেক পরিবার।
পরিবেশবিদদের মতে, অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন নদীর প্রতিবেশ ব্যবস্থার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এতে জলজ প্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হয় এবং দীর্ঘমেয়াদে নদীর গতিপথ পরিবর্তনের ঝুঁকি তৈরি হয়।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তারা দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধ এবং নদী রক্ষায় স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন— এভাবে চলতে থাকলে কি আবারও টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা তিস্তার মহাগর্ভে বিলীন হবে, এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের মানবিক ও পরিবেশগত বিপর্যয় অনিবার্য হয়ে উঠবে, বিশেষ করে রাতের আঁধারে, চলে,তবে যথাযথ আইন অনুযায়ী যদি পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে এর সমাধান হয়তো অসম্ভব হয়ে রয়ে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd