গোয়াইনঘাট (সিলেট) প্রতিনিধি
বৈধ ইজারাকৃত বালু মহালের অংশীদার স্ট্যালিং থারিয়াং, হঠাৎ কেন আলোচনায়,পেছনের রহস্য কি? জনমনে এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং এলাকার সংগ্রাম পুঞ্জির বাসিন্দা জেলা বিএনপি নেতা স্ট্যালিন থারিয়াং সিলেট জুড়ে আলোচনায় রয়েছেন।
জানা যায়, স্ট্যালিন থারিয়াং তৃণমূল থেকে বেড়ে ওঠা বিএনপি’র একজন কর্মী। আন্দোলন সংগ্রামে রয়েছে তাঁর অনেক ত্যাগ। হয়েছিলেন একাধিক মামলার আসামী। তিনি সিলেট জেলা ছাত্র দলের সাবেক সহ সভাপতি ও জেলা যুব দলে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করে বর্তমানে সিলেট জেলা বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক পদে রয়েছেন। রাজনৈতিক ভাবে হেয় করতেই কি এমন অপপ্রচার এ অভিমত গোয়াইনঘাট বিএনপি নেতৃবৃন্দের।
জানতে চাইলে গোয়াইনঘাট সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন,স্ট্যালিন থারিয়াং বিএনপি পরিবারের একজন পরিক্ষিত লোক, উনার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ইদানীং কিছু কুচক্রী মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে আমরা এসব অপ্রচারের নিন্দা জানাচ্ছি।
জাতীয়তাবাদি মুক্তিযোদ্ধা দল গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুল হক বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ দলকে সুসংগঠিত করতে স্ট্যালিন থারিয়াং মাঠে ময়দানে কাজ করে যাচ্ছেন। ইদানীং কিছু কুচক্রী মহল সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে যাহা অত্যন্ত নিন্দনীয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ও মুল ইজারাদারকে আলোচনার বাহিরে রেখে স্বার্থ হাসিলের লক্ষে স্ট্যালিং থারিয়াংকে আলোচনায় আনা হচ্ছে।
স্থানীয় বিএনপির সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতারা জানান, গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা স্ট্যালিন থারিয়াং কে সুখে দুখের ভরসার জায়গা হিসেবে সব সময় কাছে পেয়েছেন এমনটা জানিয়েছেন।
স্ট্যালিন থারিয়াং জবাবদিহিকে বলেন,চলতি বছরে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে জৈন্তাপুর ও গোয়াইনঘাটের কয়েকটি বালু মহাল ইজারা হয়। জৈন্তাপুরের সারি- ১ও গোয়াইনঘাটের লেংগুড়া বালু মহালের ব্যবসায় আমার অংশীদারিত্ব রয়েছে। বৈধভাবে সরকার বাহাদুরকে রাজস্ব দিয়ে ব্যবসা করছি। আমার বিরুদ্ধে কিছু লোক ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি অবৈধ কোন কার্যক্রমের সাথে জড়িত না। কিছু ষড়যন্ত্রকারীরা আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কলঙ্ক লাগানোর জন্য উঠেপরে লেগেছে যাহা দুঃখজনক।