সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি:
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা জামির্ত্তা ইউনিয়নে তিন ফসলি জমির মাটি কাটা ও দশ চাক্কার ড্রাম ট্রাকে মাটি পরিবহন করে সরকারি রাস্তা ক্ষতি সাধন করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্থানীয়রা। বুধবার(৮ এপ্রিল) বিকেল ৩ টার দিকে উপজেলার জামির্ত্তা ইউনিয়নের সুদক্ষিরা এলাকায় জার্মিত্তা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী মো.শহিদুল ইসলামের নিজ কার্যালয় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্যে হাজী শহিদুল ইসলামের ছেলে ভুক্তভোগী মেহেদী হাসান বলেন,আমাদের ইউনিয়নের তিন ফসলী জমির মাটি কাটা ও দশ চাক্কার ড্রাম ট্রাক চলাচলে সরকারিভাবে নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় আওয়ামীলীগ,যুবলীগ সন্ত্রাসীসহ ভূমিদুস্যু ইয়াছিন গংদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না এলাকাবাসী। এমনকি কবরস্থানের উন্নয়নে মাটি ফেলার কথা বলে দীর্ঘদিন যাবৎ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন এলাকায় মাটি বিক্রি করে আসছে। এ বিষয়ে বাধা প্রদান করলে এলাকার কিছু চিহ্নিত অপরাধীরা অন্য এলাকার অপরিচিত লোক এনে আমাদের বিরুদ্ধে উদ্যেশ্যপ্রণোদীত অভিযোগ এনে কবরস্থানের পক্ষে মানববন্ধনের প্রস্তুতি নেয়। সেখানে আমি গেলে ইয়াছিন গংদের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা আমাকে হত্যার উদ্যোশে বেধরক মারপিট করে। আমি অল্পের জন্য প্রানে বেঁচে যাই। বিষয়টি মিডিয়া কর্মীরা সরাসরি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ প্রচার করেন। এতে তারা ক্ষান্ত না হয়ে আমাকে ও আমার বাবাকেসহ এলাকাবাসির নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করে মিথ্যা মামলায় জড়ানোর চেস্টা করছে।
তাই প্রশাসনের কাছে তদন্তপূর্বক সুষ্ঠ বিচার চান তিনি। এসময় আরো বক্তব্যে রাখেন,জামির্ত্তা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাজী মো.শহিদুল ইসলাম,কহিনুর ইসলাম ও আলামিন। বক্তারা বলেন, তারা কবরস্থানের উন্নয়ন কাজের বিরোধী নন। তবে তিন ফসলি জমির মাটি কেটে অবৈধভাবে বিক্রি ও পরিবহনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। এ কারণে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও দাবি করেন তারা। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মিজানুর রহমান, লিটন মাহমুদ, মুখলেছুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, লিয়াকত আলী ও হ্নদয় আহম্মেদসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।