প্রিয়তম,
বেচেঁ থাকতে তো খবর নিলেই না কোনদিন,দেখোনি কিভাবে আছি জিন্দা লাশ হয়ে।
আমার মৃত্যুর খবর শুনে শেষ বিদায় দিতে আসবে তো?
শত ব্যস্ততার মাঝেও একটু সময় নিয়ে?
তোমার হার হবে সেদিন....
মৃত্যুর খবরে ছুঁটে আসবে যেদিন ঝড়েরবেগে।
শেষবারের মতো একটিবার মুখটা দেখে বিদায় দেবে বলে।
কিন্ত অন্য সবার মতো জোরে হাওমাউ করে কান্না করতে পারবে না তুমি,
অন্য সবার চোখের পানি দেখেও একফোঁটা পানি বের করতে পারবে না তুমি।
পারবে না দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বুকটা হালকা করতে।
বুক ফেটে যাবে কান্নায়,
বুকের মধ্যে কষ্টের পাথর গড়াগড়ি করবে মায়ায়,
কান্না চেপে রাখতে রাখতে দম বন্ধ হয়ে যাবার উপক্রম হবে,
কিন্তু প্রকাশ করতে পারবে না।
লোকে কি ভাববে সেটা ভেবে।
আমার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকবে ফ্যাল ফ্যাল করে,
তোমার মনে হবে অনন্তকাল চেয়ে থাকি অপলকে।
মনে পড়বে কতটা ব্যথা দিয়েছো সারাটা জীবন,
মনে পড়বে এতোটা না কাঁদালেও হতো,
মনে পড়বে "তোমার এতোটা অবহেলা না করলেও পারতাম।"
আমার নিথর দেহখানা নিয়মের গন্ডিতে
কাফন হবে,দাফন হবে।
তুমি শুধু দেখবে দূর থেকে আর অপেক্ষা করবে বাকিরা কখন কবরের পাশ থেকে সরে যাবে।
তারপর..তারপর চুপিচুপি কবরের পাশে অসহায়ের মতো বসবে,হাতের মধ্যে একমুঠো মাটি নেড়ে নেড়ে বলবে "আর কেউ বিরক্ত করবেনা,বলবে না ভালোবাসি,ভালোবাসি।
ভিক্ষা চাইবেনা আমাকে।"
এর পর থেকেই আফসোস করবে "একফোঁটা ভালবাসা আর আর ব্যক্তি আমাকে কিছুটা তার ভাগে দিলে কি এমন ক্ষতি হতো?
তাহলে ভালবাসার অভাবে একটি মানুষ এভাবে বার বার আসতোনা ভিক্ষারীর বেসে আমার দুয়ারে"...
প্রিয়তম তুমি আমার অনেক সখের একটা মানুষ নিজের যত্ন নিও,তাহলে আমি ভালো থাকবো।
বেঁচে থাকবে ভালবাসা বেঁচে থাকবে প্রার্থনায়।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: আহমেদ হোসাইন ছানু। সাহিত্য সম্পাদক: মোঃ রহমত আলী। সম্পাদকীয় কার্যালয়: বিপিএল ভবন মতিঝিল ঢাকা- ১০০০। মোবাইল: 01715-90722
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৫