মোঃ মুনজুর আলম, বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি:
প্রশাসনের আয়োজনে বটিয়াঘাটা উপজেলা-য় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-১ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আমির এজাজ খান।
একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে বটিয়াঘাটা উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় পর্যায়ক্রমে বীর মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ, বটিয়াঘাটা থানা, উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, আনসার ও ভিডিপি সদস্যবৃন্দ, উপজেলা ভূমি অফিস, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, দলিল লেখক সমিতি, বটিয়াঘাটা প্রেসক্লাব, উপজেলা প্রেসক্লাব, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
সকাল ১১টায় উপজেলা হলরুমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার থান্দার কামরুজ্জামান-এর সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “এ দেশ মুসলমানদের, এ দেশ হিন্দুদের, এ দেশ খ্রিস্টানদের—এ দেশ সবার। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে আমাদের বাংলাদেশ ও বটিয়াঘাটাকে রক্ষা করতে হবে।”
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথিকে সম্মাননা ব্যাচ ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠিত হয় এবং পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাত-ইল ইভানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার হাফিজুর রহমান, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান, কৃষি কর্মকর্তা আবুবকর সিদ্দিক, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, সমবায় কর্মকর্তা জান্নাতুন নেছা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা বিপাশা দেবী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান, কামরুল ইসলাম, মনোরঞ্জন মণ্ডল, নিরঞ্জন কুমার রায়সহ অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শামীম গোলদার, সদস্য সচিব খন্দকার ফারুক হোসেন, সাবেক সভাপতি খায়রুল ইসলাম খান জনি, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব বাহাদুর মুন্সি এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ এবং শিক্ষার্থীরা।