• বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
জগন্নাথপুরের নিখোঁজ যুক্তরাজ্য প্রবাসী বোরহান উদ্দিন শফির মরদেহ দুগ্ধ অবস্থায় জকিগঞ্জের হাওড় থেকে উদ্ধার কবিতা: বিপন্ন প্রকৃতি শিক্ষায় বিনিয়োগেই আগামীর বাংলাদেশ স্বপ্নজয়ী স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পাশে স্টুডেন্টস কেয়ার জগন্নাথপুর গোয়াইনঘাটে বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম প্রতিরোধে ওয়ার্ল্ড ভিশনের অভিনব প্রচারণা ধর্মপাশায় জামায়াতের প্রচারণায় বিশাল গণমিছিল নিয়ামতপুরে বাথান বাড়িতে হামলা করে লুটপাটের অভিযোগ দাড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ সংসদে পাস করে আইনে রূপান্তর করা জরুরী, নারী মৈত্রীর মতবিনিময় সভায় বক্তৃতারা গোয়াইনঘাটে বিয়াম ল্যাবরেটরী স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ সম্পন্ন বালাপাড়া ইউনিয়নে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর পাঁয়তারা

নিয়ামতপুরে বাথান বাড়িতে হামলা করে লুটপাটের অভিযোগ

Reporter Name / ১১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

এস এম রকিবুল হাসান
নিয়ামতপুর নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর নিয়ামতপুরে বাথান বাড়িতে হামলা করে লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকি ও দুই লাখ ৪০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। গত ৪ জানুয়ারি উপজেলার কোচপাড়া এলাকায় এ হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগীর নাম মোঃ শরিফুল ইসলাম (৪৮)। বাবার নাম মৃত তোবজুল মন্ডল। বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবনগর গ্রামে। অভিযুক্তরা একই এলাকার ফজলুর রহমান ওরফে ভুলুর ছেলে মোঃ জিয়াউর রহমান (৪৩), মুকুল আলী (৩০), বকুল আলী (২৮) ও অজ্ঞাত ৫-৬ জন।
থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নিয়ামতপুর উপজেলার কোচপাড়া এলাকায় শহিদুল ইসলামের বাবা তোবজুল মন্ডল ১১,১২,৬৭ ও ৬৮ নং আরএস খতিয়ানের ২৪ ও ১৩ নং দাগে জমি ক্রয় করেন। তাঁর বাবার মৃত্যুর পর শরিফুল ও তার ভাইয়েরা সেই জমিতে বাথানবাড়ি নির্মাণ করে ১০৩ জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। এর মধ্যে হঠাৎ গত ৪ জানুয়ারি সকাল নয়টার দিকে অভিযুক্তরা সংঘবদ্ধ হয়ে হাতে লাঠি, হাসুয়া, কোদাল নিয়ে বাথানবাড়িতে আক্রমণ চালিয়ে ভেঙ্গে ফেলে এবং নয় বাল্ডিল টিনসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়। এতে প্রায় দুই লাখ ৪০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন।
শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি একজন শান্তশিষ্ট মানুষ। অভিযুক্তরা স্থানীয় প্রভাবশালী ও ভূমিদস্যু ব্যাক্তি। সেদিন হামলার ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে ঘটনাস্থলে আমি ও আমার ভাতিজা সোহাগকে গিয়ে অভিযুক্তদের বাধা প্রদানের চেষ্টা করি। এসময় অভিযুক্তরা আমাকে ও আমার ভাতিজাকে মারধরের চেষ্ঠা করে। এ ব্যাপারে আইনের আশ্রয় নিলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে আমি সেখান থেকে চলে আসি। পরে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।’

হামলার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত জিয়াউর রহমানের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।’

নিয়ামতপুর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) আমিনুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পরিবেশ পরিস্থিতি দেখে দুই পক্ষকেই শান্ত থাকতে বলেছি। এব্যাপারে দুই পক্ষের কোনো আপত্তি থাকলে মামলা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd