মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন
স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী
নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই যুবকের বিরুদ্ধে ডিমলা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের তালতলা সরকারপাড়া গ্রামের ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্রী (ছদ্মনাম মনি) দীর্ঘদিন ধরে তার নানার বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছিল। ঘটনার দিন রোববার সকালে তার মা মাহবুবা বেগমকে নিয়ে নানী সেরিনা বেগম (৫৫) চিকিৎসার জন্য রংপুরে যান। ওই সময় বাড়িতে মনি ও তার ছোট বোন গয়না আক্তার (১৩) একা ছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, একই গ্রামের রবিউল ইসলাম শুকারুর ছেলে কাজল রানা (২১) এবং বরকত আলীর ছেলে মুন্না ইসলাম মান্নান (২৪) দুপুর প্রায় ২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ভিকটিমকে পার্শ্ববর্তী একটি ভুট্টাক্ষেতে জোরপূর্বক আটকে রাখে। সেখানে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
সন্ধ্যা পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় ভিকটিমকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
রাত ৮টার দিকে নানী সেরিনা বেগম বাড়িতে ফিরে ঘটনাটি জানতে পারেন। পরে গভীর রাতে তিনি নাতনিকে নিয়ে ডিমলা থানায় যান। সোমবার (৬ এপ্রিল) তিনি বাদী হয়ে দুই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর-৫, তারিখ ০৬-০৪-২০২৬।
ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শওকত আলী সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভিকটিমের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে এবং ডাক্তারি পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। আশা করা হচ্ছে খুব দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।