• রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
ঢাকা থেকে আগত এক্সিকিউটিভ প্রডিউসার খালিদ এইচ. রাকিব (প্যাশন) সম্প্রতি খুলনা আর্ট একাডেমি পরিদর্শন করেন কয়রায় তেল-গ্যাসের কৃত্রিম সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ নিয়ামতপুরে খাস পুকুরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত একাধিক বিকল্পধারা বাংলাদেশের ইফতার ও দোয়া অনুষ্ঠিত তেলের কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ: অসাধু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চায় বগুড়াসহ সারা দেশের জনগণ জাল সনদে ছাতনাই উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি বিএনপি নেতা! নেপথ্যে প্রধান শিক্ষক ও আ.লীগ নেতার ভূমিকার অভিযোগ “চাঁদনী রাতের মায়া” গাজীপুরে গাঁজা সেবন দেখে ফেলায় মাদ্রাসা ছাত্রকে হত্যা কিশোরগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর শহর শাখার ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিত্তবানদের নৈতিক দায়িত্ব — লায়ন গনি মিয়া বাবুল

জাল সনদে ছাতনাই উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি বিএনপি নেতা! নেপথ্যে প্রধান শিক্ষক ও আ.লীগ নেতার ভূমিকার অভিযোগ

Reporter Name / ৪২ Time View
Update : শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

 

স্টাফ রিপোর্টার

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ১ নম্বর পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের ছাতনাই উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি পদ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জাল শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার করে বিএনপির এক ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা ওই বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. নাজমুল হুদা (তারিফ) সম্প্রতি ছাতনাই উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তিনি ভুয়া বা জাল শিক্ষাগত সনদ ব্যবহার করে এই পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন।
অভিযোগে বলা হয়, জমা দেওয়া সনদপত্রে উল্লেখ রয়েছে—তিনি ১৯৯৩ সালে পীরগাছা মহাবিদ্যালয় থেকে বিএ পাস করেছেন এবং তার রোল নম্বর ৩৬৪৩০। কিন্তু বিষয়টি যাচাই করতে গিয়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে পীরগাছা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোছা. মোরশেদা বেগম জানান, উক্ত সনদপত্রটি সম্পূর্ণ ভুয়া। তিনি বলেন, “আমাদের কলেজের রেকর্ড অনুযায়ী এই নামে এবং এই রোল নম্বরে কোনো শিক্ষার্থীর তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে সনদটি জাল বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।”
এলাকাবাসীর দাবি, এতদিন নাজমুল হুদাকে তারা ইন্টারমিডিয়েট (এইচএসসি) পাস হিসেবেই জানতেন। হঠাৎ করে তিনি ডিগ্রি পাস করেছেন বলে দাবি ওঠায় বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে অনুসন্ধানে জাল সনদের অভিযোগ সামনে আসে।
স্থানীয়দের মতে, তাকে এডহক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা এবং সভাপতি করার পেছনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল করিম এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. অজিবুল হক দুলুর ভূমিকা রয়েছে। উল্লেখ্য, সহকারী প্রধান শিক্ষক অজিবুল হক দুলু স্থানীয় আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিমের দায়িত্বকালও গত ৫ তারিখে শেষ হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল করিম বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছু জানি না। তিনি আমাকে যা দিয়েছেন, আমি তাই পাঠিয়েছি। সনদ জাল কি না, তা দেখা আমার দায়িত্ব নয়।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “যদি অযোগ্য ব্যক্তিদের দিয়ে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি পরিচালিত হয়, তাহলে শিক্ষার মান আরও নিচে নেমে যাবে। আমরা চাই বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা হোক।
এ বিষয়ে ডিমলা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ মো. মনোয়ার হোসেন বলেন, কারো ব্যক্তিগত অপরাধের দায়ভার দল নেবে না।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে এবং বিদ্যালয়ের স্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd