মোহাম্মদ সুজন মিয়া, স্টাফ রিপোর্টার, জগন্নাথপুর
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর-সিলেট যোগাযোগের প্রধান অবলম্বন জগন্নাথপুর-বিশ্বনাথ-সিলেট সড়কটিতে বাউরকাপন গ্রামের পাশে চার রাস্তা সংলগ্ন কালভার্ট ভেঙ্গে মরণফাদেঁ পরিণত হয়েছে। বড় গাড়ী উঠলে যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা হতে পারে
স্থানীয়রা জানায়, প্রায় ৭দিন আগে এই কালভার্ট টি ভেঙ্গে যায়, পাশের গ্রামের লোকজন লাল নিশান দিয়ে গাড়ী চালকদের সর্তক করেন। কালভার্ট ভেঙ্গে যাওয়ার ৬দিন পর উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের কিছু লোকজন অল্প মেরামত করেন, পুরো মেরামত না করায় যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে
স্থানীয়রা ক্ষোভের সাথে বলেন, চার রাস্তার মুখে এই কালভার্ট টি দীর্ঘ দিন ধরে ঝুকি হয়ে পরে, এই রোডে অন্য কালভার্ট মেরামত হলেও এটা আর মেরামত হয় না। বহু এমপি ও মন্ত্রী আসছেন জনগুরুত্বপূর্ন এই ছোট কালভার্ট টির দিকে কেউ নজর দেন না
স্থানীয় সিএনজি চালক সোহেল মিয়া বলেন, আমাদের একমাত্র রুটি রুজির ভরসা জগন্নাথপুর-সিলেট সড়ক, এই সড়কে বাউরকাপন গ্রামের পাশে চার রাস্তা সংলগ্ন কালভার্ট টি ভেঙ্গে যাওয়ায় আমরা বিপদে আছি, জীবেনর ঝুকিঁ নিয়ে সিএনজি নিয়ে চলাচল করতে হয়, উপজেলা প্রশাসন এ দিকে নজর দিচ্ছেন না
এ রোডে চলাচলকারী বাস ড্রাইভার রফিক মিয়া বলেন, এই কালভার্ট টিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ না হওয়ায় বড় গর্ত হয়ে এখন মরণফাদেঁ পরিণত হয়েছে, যে কোন সময় বড় দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। আমাদের সিলেট যাওয়ার একমাত্র রাস্তায় এ কালভার্ট টি দিয়ে গাড়ী নিয়ে যেতে ভয় করে। জরুরী ভিত্তিতে কাজ করানো দরকার
জগন্নাথপুর উপজেলা প্রকৌশলী সোহরাব হোসেন বলেন, বাউরকাপন গ্রামের পাশে কালভার্ট ভেঙ্গে গেছে শুনেছি গত বৃহস্পতিবার, খবর পেয়ে কালভার্টের দুটি স্টিলের সিড পরিবর্তন করে যানবাহন চলাচলের স্বাভাবিক ব্যবস্থা করি। সব চেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে এই ব্রিজটি দূর্বল হয়ে গেছে। উপর থেকে থাকালে রড দেখা যায়, এখানে বিকল্প বেইলী ব্রিজ দিয়ে অস্থায়ী সমাধান করা যায় কি আমরা চিন্তা ভাবনা করতেছি, নতুন করে ব্রিজের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে।