জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা পুত্রের বাড়িতে মাটি ভরাট কাজে বাধা প্রদান নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
জানাগেছে, জগন্নাথপুর উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের রাণীগঞ্জ বাজার এলাকায় ইসলামপুর গ্রামে প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ খান ১০ শতক জমি ৯৯ বছরের জন্য সরকার কর্তৃক বন্দোবস্তপ্রাপ্ত হন। জগন্নাথপুর থানার মৌজা-গন্ধর্বপুর জে এল নং-২০৪, আগত খতিয়ান নং-০১, নামজারী মোকদ্দমা নং-৯০৭/২০১০, দাগ নং-২০৪৬/১, ২০৪৬/২ এ ১০ শতক লায়েক পতিত রকম জমি বন্দোবস্ত প্রাপ্ত হয়ে সপরিবারে তিনি বসবাস করেন। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ খান মারা গেলে তার পরিবারের লোকজন শান্তিপূর্ণ বসবাস করছেন।
গত ২২ ফেব্রুয়ারি মুক্তিযোদ্ধাপুত্র আবদুল গফ্ফার খান তার অংশের জায়গায় থাকা পূর্বের দোকারঘর ভেঙে বর্ধিত করার জন্য মাটি ভরাট কাজ শুরু করেন। মাটি ভরাট শেষ হলে পুনরায় একটু বড় করে দোকানঘর নির্মাণ করবেন। এমতাবস্থায় বাদ সাদে স্থানীয় কিছু মানুষ। তারা বাধা আপত্তি দিয়ে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য করেন। নিরুপায় হয়ে মুক্তিযোদ্ধাপুত্র আবদুল গফ্ফার খান বাদী হয়ে স্থানীয় ইসলামপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিন ও শিহাব উদ্দিনকে বিবাদী করে জগন্নাথপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধাপুত্র আবদুল গফ্ফার খান বলেন, আমার পিতার নামে বন্দোবস্ত পাওয়া জায়গায় আমরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছি। আমার অংশের জায়গায় আগেই দোকানঘর ছিল। দোকানঘরটি একটু বড় করার জন্য ভেঙে দিয়ে অল্প মাটি ভরাট কাজ করতে গেলে বিবাদীরা বাধা-আপত্তি দিয়ে অন্যায়ভাবে কাজ বন্ধ করে রেখেছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এখানে যদি সরকারি জায়গা থাকে, তাহলে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবেন। তারা তো বাধা-আপত্তি দিতে পারেন না। তারা গায়ের জোরে আমার জায়গা জবর দখলের জন্য বাধা-আপত্তি দিচ্ছেন। জানতে চাইলে বিবাদী নিজাম উদ্দিন ও শিহাব উদ্দিন জানান, এ সরকারি জায়গায় পূর্বে বাজারঘাট ছিল। যে কারণে আমরা পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বাধা-আপত্তি দিয়েছি। আরেকজনের ভোগ দখলে থাকা বন্দোবস্তপ্রাপ্ত জায়গায় আপনারা আপত্তি দিতে পারেন কি না এমন প্রশ্নের জবাব তারা এড়িয়ে যান।