সুলতানা সহেলি রহমান
বীরভূম, পশ্চিমবঙ্গ ভারত।
শেষ চৈত্রের সকালটা ভরে উঠলো সাহিত্য ও সংস্কৃতি প্রেমী আট থেকে আশির কাকলি কূজনে।
সকাল এগারোটায় রাঙামাটি বীরভূম জেলার রাজগাঁও মহামায়া উচ্চ বিদ্যালয় (উঃ মাঃ ) র প্রেক্ষাগৃহে নিরুপমা রায় চৌধুরীর “শরৎ বাবু খোলা চিঠি দিলাম –“উদ্বোধনী সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে সভার শুরু। প্রারম্ভিক ভাষণ দেন চরৈবেতি সম্পাদক গল্পকার কুদ্দুস আলি।
কথা কবিতা গান ও নাচে চৈত্রের সকাল কখন যে দুপুরে এসে পৌঁছেছে সে খেয়াল করেননি কেউই। কবিতা পাঠে অংশ নেন বীরভূম গৌরব নাসির ওয়াদেন, ছড়াকার সাইফুল ইসলাম, কোহিনূর বেগম, অভিলাষ রাজবংশী,বরুণ কর্মকার,আব্দুল হাদী,দিল আফরোজ, শতরূপা প্রমুখ। নৃত্য পরিবেশন করে বিশিষ্ট শিশুশিল্পী কাজী আইরিন সুলতানা ও ময়ূরাক্ষী চন্দ্র। সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী দেবময় কারফরমা, তপন জ্যোতি ভট্টাচার্য প্রমুখ।
দুপুর বারোটায় নির্দিষ্ট সূচি অনুযায়ী ৩৬ বর্ষ নববর্ষ সংখ্যা ১৪৩৩ এর মোড়ক উন্মোচন করেন চরৈবেতি ট্রাস্ট তথা পত্রিকার সভাপতি ডা আলি আসগর কচি, প্রধান অতিথি ডঃ চৈতন্য বিশ্বাস,সম্পাদক কুদ্দুস আলি সহ অতিথিরা।
চরৈবেতি পরিবারের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ গুণীজন সংবর্ধনা। প্রতিবছর বার্ষিক এই অনুষ্ঠান মঞ্চে শিক্ষা, সমাজসেবা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ গুণীজনদের সম্মাননা প্রদান করে আসছে এই সাহিত্য পরিবার। এবারে সম্মাননা প্রদান করা হয় বিশিষ্ট শিক্ষক,সমাজসেবী ও সুসংগঠক ডঃ ফজলে মাওলা খাঁন, অধ্যাপক ডঃ মহম্মদ হাসনাইন, ডঃ সৌরভ মন্ডল ও ডঃ সৌভিক মন্ডল মহাশয়কে। উত্তরীয়, গোলাপ তোড়া, শংসাপত্র, স্মারক ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন চরৈবেতি পরিবারের অন্যতমা সদস্যা কাজী শিরীন আলি, অভিলাষ রাজবংশী, মন্টেন মুন্সী, রামকুমার ভকত।
সভায় প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন ডঃ চৈতন্য বিশ্বাস, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন” শিক্ষারত্ন” বরুণ কর্মকার,অজিত মাইতি, ধ্বজাধারী দত্ত, দীনবন্ধু দাস ও “বিকল্প “সম্পাদক বাহারুল ইসলাম ও রাজগাঁও বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হাসিনাতুল ফেরদৌস ডালিয়া। কাজী আফরোজার সমাপ্তি সঙ্গীতের সাথে সাথেই সভার সমাপ্তি ঘটে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ডাঃ আলি আসগর এবং সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মন্টেন মুন্সী।