• বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
Headline
কবিতাঃ চেতনায় ফাগুন কবিতা: কদবানু আলেয়ার চিঠি জগন্নাথপুরে মাওঃ শামছুল ইসলাম সুহেব দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে দারুল কিরাতের খেদমতে নিবেদিত রামপাল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শীর্ষে মোল্লা তরিকুল ইসলাম শোভন কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে বেড়িবাঁধের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ মা যেদিন যাবে, সেদিন আমিও মৃত জগন্নাথপুরে রান্নাঘরে আগুন লেগে পাঁচটি পরিবারের বিশাল ক্ষতি নুরুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধা, ভাষাসৈনিক, রাজাকার ও জুলাই যোদ্ধার সঠিক তালিকা চায় নতুন প্রজন্ম নজরুল ইসলাম মন্জুকে কেসিসির প্রশাসক নিয়োগ দেওয়ায় খুলনা মফস্বল প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে বেড়িবাঁধের গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ

Reporter Name / ৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

 

মোঃ মাহ্ফুজুল হক খান (জিকু), কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন উপজেলার কামালপুর নামক এলাকায় নদীভাঙন রোধে রোপণ করা প্রায় ২০টি মেহগনি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ- জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, নিজের বাড়িতে ব্যক্তিগত গাড়ি প্রবেশের পথ সুগম করতেই তিনি ধাপে ধাপে এসব গাছ সাবাড় করেছেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়,সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সংসদ সদস্য থাকাকালীন এলাকায় নদীভাঙন ঠেকাতে এই বেড়িবাঁধে গাছ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে এই গাছগুলো এলাকার পরিবেশ ও বাঁধ রক্ষায় বড় ভূমিকা রেখে আসছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন,মো,জাহাঙ্গীর আলমের বাড়িতে প্রবেশ করতে হলে বাঁধের ওপর দিয়ে যেতে হয়। ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে চলাচলে কিছুটা সমস্যা হওয়ায় গত ৫ আগস্টের পর থেকে একে একে গাছ কাটা শুরু করেন। সর্বশেষ গত ২১ ফেব্রুয়ারি একসঙ্গে ১০ থেকে ১২টি গাছ কেটে ফেলা হয়। প্রতিটি গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। বৈদ্যুতিক করাত ব্যবহার করে গাছের গুঁড়ি কেটে ফেলা হয় এবং পরে সেগুলো সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার পর এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লেও অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রভাবশালী হওয়ায় প্রকাশ্যে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর বলেন,আমি কাটবো কেন? আমার দরকার আছে কাটার? আন্তাজি আলাপ করে। জায়গা ও গাছগুলো সরকারি না। প্রত্যেকে নিজের জায়গা থেকে গাছ কেটে নিয়ে গেছে। বেড়িবাঁধ সরকারি না অধিগ্রহণকৃতও না।মিঠামইন উপজেলার দায়িত্বে থাকা বন বিভাগের কর্মকর্তা জুলফিকার জয় বলেন,বেড়িবাধে কেটে ফেলা গাছ গুলো স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সহায়তায় খোয়াব নামে একটি এনজিও সংস্থা রোপণ করেছিল। বিষয়টি উপকারভোগী স্থানীয় দুঃস্থ নারী ও এলজিইডি দেখাশোনা করছে। এটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। মিঠামইন উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী ফয়জুর রাজ্জাক বলেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে ১৯৯৫-১৯৯৬ সালে বাঁধ তৈরি করা হয়েছিল। সে সময় গাছগুলো রোপণ করা হয়। গাছ কেটে ফেলার বিষয়টি জানার পর স’মিলে গিয়ে গাছগুলো জব্দ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd