কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম
নদীর পাড়ে আমার জন্য বেঁধো একটা ঘর
থাকে যেন সে-ই নদী টার, একটা পাড়ে চর,
একটা পাড়ে থাকনা ভাঙন, ভাঙ্গুক রোজ পাড়
প্রকৃতির আপনা জন্মা কাশফুল বনে, হইও আমার বর!
বয়ে চলা পয়স্বিনীর , শান্ত সিন্ধ পরিবেশে
লাল বেনারসি পরে, অপেক্ষায় থাকবো বসে,
শুনবো মাঘীপূর্ণিমা রাতে, অহর্নিশ স্রোতের কলতান
হোক সে ঘরে মাটির দেয়াল, খড়ের চালায়, জোছনার আগমন!
সূর্য ঢেকে মেঘ যখন আলো ছায়ায় করে খেলা
তুমি-আমি নৌকা চড়ে কাটাবো সারা বেলা!
শৈবলিনীর তলদেশে পাথর নুড়ি চলছে ঘেষে
পলি পড়ে উর্বরা ক্ষেত, ঢালু তীরে মিশছে এসে!
অন্য পাড়টা ভাঙ্গার ক্ষত, রোজ করে লোকে মেরামত
জলস্রোতে মাথানোয়ানো হোগলা গাছ আর ধনচে ক্ষেত,
দেখবো দু’জন, গাঙচিলের মাছ ধরা দেহলি বসে
কেমন করে বালুচরে কৃষক চাচা লাঙ্গল চষে!
বাঁধবে তো আমার জন্য , এমন একটা ঘর
কাশফুল আর গাঙচিল আপন হবে, আর সকলে পর!
ভরা ভাদ্রে পারের ধান, একবার ডোবে আবার জাগে, প্রতি জোয়ার-ভাটা
মাঝিরা সব পাল তুলে যায় মাস্তুল তার, মাঝ নৌকায় আটা!
লোমশ বুকে সাপটে ধরে, নিও আমায় ঘরে
কত জেলে মাছ ধরে, ফেলে যায় কাকড়া ঝিনুক
সেই না পদ্মা চরে!